April 5, 2026, 1:55 am

সংবাদ শিরোনাম
হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে যাত্রীবাহী কোচ ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, গুরুতর আহত ৬ ক্যান্সার প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের বিকল্প নেই পূর্ব শত্রুতার জেরে রাতের আঁধারে শতাধিক গাছ নষ্টের অভিযোগ

কি আছে ঢাকা কাস্টমস হাউস আন্তর্জাতিক কুরিয়ারে ? বারবার কেন কারা তারা কাস্টমস কর্মকর্তাদের উপর হামলা করিতে চায় ?

কি আছে ঢাকা কাস্টমস হাউস আন্তর্জাতিক কুরিয়ারে ? বারবার কেন কারা তারা কাস্টমস কর্মকর্তাদের উপর হামলা করিতে চায় ?

ডিটেক্টিভ ভুইয়া

mostbet

কি আছে ঢাকা কাস্টমস হাউস-এর আওতাধীন আমদানি কার্গো কমপ্লেক্স অবস্থিত আন্তর্জাতিক কুরিয়ারে? বারবার কেন কাস্টমস কর্মকর্তাদের উপর হামলা চালিয়ে পণ্য চালান জোরপূর্বক নিয়ে যেতে চায়। কে তারা?

সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক কুরিয়ারের রাজস্ব ফাঁকির জন্য প্রায় ৩০ জনের একটি সঙ্গবদ্ধ রাজস্ব চোরাকারবারি ফাঁকিবাজ চক্র তৈরি হয়েছে, সূত্রে আরো জানা যায়, গত ১৯/১০/২০১৭ ইং তারিখে দুপুরের পর ৩টার দিকে ৩০ জনের একটি সঙ্গবদ্ধ চোরা কারবারি রাজস্ব ফাঁকিবাজ আন্তর্জাতিক কুরিয়ার গেটে হামলা দিয়ে কুরিয়ার গেটে এসে কাস্টমস কর্মরত অফিসারদের কাজ কর্ম বন্ধ করে দেয়।

সূত্র হতে প্রাপ্ত খবরে জানা যায়, তখন গেটে কর্মরত অফিসার (প্রিভেন্টিভ) এ আর ও সুমনসহ আরো ৩-৪ জন অফিসার কুরিয়ারের দায়িত্বরত সহকারী কমিশনার কাজী রায়হানুজ্জামানের শরণাপন্ন হয়।

ফলে এসি কর্মকর্তা গেটে এসে কাজ কর্ম বন্ধ করার কারণ জানতে চাইলে তারা জানায় যে, গেটের অফিসাররা নির্দিষ্ট পছন্দের ব্যক্তি/এজেন্টদের মালামাল ছেড়ে দেয়। আর আমাদের মালামাল আটকে দেয়। এমতাবস্থায় এসি কর্মকর্তা বলেন যে, যদি আমার অফিসার দ্বারা আপনাদের কোন অসুবিধা হলে, খারাপ ব্যবহার করলে অথবা কোন রকম পক্ষপাতিত্ব করলে আপনারা আমাকে জানাতে পারতেন, কিন্ত আপনারা কাজ বন্ধ করার কে?

তখন তারা নিজেদের কাস্টমস এজেন্টেদের এমপ্লয়েজ ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দেন ফলে তাদেরকে সম্মানের সহিত তার কক্ষে নিয়ে যায় এবং শুল্ক আদায় সাপেক্ষে উক্ত ঘটনার মীমাংসা করে দেয়।
সূত্র জানায়, ২টি লাইসেন্সের মাধ্যমে ২/৪টি বি/ইতে শুল্ক ফাঁকি ও মিথ্যা ঘোষণার কারণে ওই ৩/৪টি পণ্য এ আর ও সুমন পণ্য চালানগুলো আটক করে প্রিভেন্টিভ অফিসার কক্ষে রাখে এবং শুল্ক  দিতে হবে বলে জানায়, আর এতেই  তারা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রায় ৩০ জনের একটি সঙ্গবদ্ধ চক্র/রাজস্ব ফাঁকিবাজ সঙ্গবদ্ধ হয়ে কুরিয়ারে আক্রমণ চালায়। কিন্তু এসি কর্মকর্তা রায়হানের বলিষ্ঠ পদক্ষেপ ও কোন রকম বদনাম না থাকায় এবং নির্ভিক সাহসিকতার কারণে এ যাত্রায় কাস্টমস কর্মকর্তারা হামলার হাত থেকে বেছে যায়।

তা না হলে গত বছর ৩ আগে শ্যামল বাহিনীর নেতৃত্বে তার সহোদর ভাই প্রিন্স, ইয়াছিন, হদিস উল্লাহ, সোহাগ, মামুন, অপুসহ  আরো অজ্ঞাত ১০/১৫ জনের চক্র কাস্টমস কর্মকর্তাদের উপর হামলা চালিয়ে প্রিভেন্টিভ মোজাম্মেল হকসহ আরো কয়েকজন কে মেরে আহত করে প্রায় ৪০০ কেটি টাকার আমদানি নিষিদ্ধ মালামাল জোরপূর্বক নিয়ে যায়। যা প্রথম সারির জাতীয় পত্রিকায় সচিত্র প্রতিবেদন ছাপা হয়।

ফলশ্রুতিতে কাস্টমস কর্মকর্তা শাজাহান বিমান বন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন যা এখনো চলমান। মামলার পরে তারা আসামিরা পোর্ট এরিয়া ছেড়ে পালিয়ে যায় পরে র‌্যাবসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ৩/৪ জনের মত আটক করে আইনের আউতায় নিয়ে আসে কিন্তু জামিনে বের হয়ে কিছু দিন কোনাঠাসা হয়ে পড়ে।

কিন্তু গত মাস ৩ আগে আবারো তারা ৩০ জনের একটি সঙ্গবদ্ধ চক্র তৈরি করে শুধু মাত্র রাজস্ব ফাঁকির জন্য। গত ১৯/১০/২০১৭ ইং তারিখের ৩টার দিকে এসি কর্মকর্তা-এর কারণে হামলা দিয়েও তারা সফল হতে পারে নাই।

সূত্র জানায় যে, শুধু মাত্র এই ৩০ জনের কারণে  গত সেপ্টেম্বর/অক্টোবর-এ কুরিয়ারে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৪ কোটি টাকার মত কম অর্জিত হয়। এই ৩০ জনের চক্র এম্পøয়েজ ইউনিয়নে বসে কিভাবে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেয়া যায় তার নীল নকশা তৈরি করে । এখানে উল্লেখ্য একবারই নির্বাচন হয়। এই নির্বাচনের ফলে তারা ক্ষমতায় বসে আছে এবং মামলা দিয়ে যাতে আর নির্বাচন অনুষ্ঠান হতে না পারে তা বন্ধ করে দেয়।

গত ১৯/১০/২০১৭ ইং তারিখ হামলার সম্পর্কে এসি কর্মকর্তার নিকট জানতে চাইলে উনি আমাদের ডিটেক্টিভ প্রতিবেদককে জানায় যে, আমরা জানতে পেরেছি যে রাজস্ব ফাঁকির জন্য একটি সঙ্গবদ্ধ চক্র তৈরি হয়েছে। এবং তাদের সনাক্তের চেষ্টা করিতেছি এবং আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি আমরা রাজস্ব ফাঁকিবাজদের শনাক্ত করতে পারবো এবং কুরিয়ারের ক্ষেত্রে সরকারের রাজস্ব লক্ষমাত্রা অবশ্যই পূরণ হবে। এ ব্যাপারে আমার কাছ থেকে কোন রকম ছাড় পাবে না সে হোক সরকারি/বিরোধী দলের  নেতা, সন্ত্রাসী বা আরো বড় কিছু।  সূত্রে জানা যায়, যে, এ সঙ্গবদ্ধ চক্রের  প্রায় সবার বিরদ্ধে বিমানবন্দরসহ আসে পাশের সব থানায় ২/৩টি করে মামলা আছে। এমতবস্থায় সরকারের রাজস্ব সেক্টর সহ সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা যেমন ডিজিএফআই, এনএসআই শুল্ক গোয়েন্দা সিআইডি, র‌্যাব সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্পৃক্ত করে রাজস্ব সেক্টরে যাতে কোন প্রকার কর্মকর্তারা রাজস্ব ফাঁকি না দিতে পারে এ জন্য সবাইকে বিশেষ ভাবে নজর দেয়ার জন্য আমাদের অনুরোধ রইলো।

বিভিন্ন কাস্টমস অফিসারদের সাথে আলাপকালে জানায় যে, সরকারের রাজস্ব এটি জনগণের টাকা আর এই টাকা আদায় করতে গিয়ে বিভিন্ন কাস্টমস অফিসাররা প্রায়ই জীবনের ঝুকি নিয়ে গালাগাল সহ্য করে সরকারের রাজস্ব আমরা আদায় করি এবং আমাদের আদায়কৃত টাকা দিয়েই প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মকর্তাদের বেতন পরিশোধ করা হয়। কিন্তু আমাদের নিরাপত্তার জন্য সরকার আমাদের কে কোন অস্ত্র দেয়না যদিও বিভিন্ন পোর্ট এলাকায় কিছু কিছু অফিসারের কাছে অস্ত্র আছে।

পরিশেষে এমতাবস্থায় শুধু মাত্র কুরিয়ার ভিত্তিক যারা সরকারের কোটি কোটি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছেন এবং তাদের কে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে কিভাবে সরকারের লুটকৃত অর্থ/রাজস্ব সরকরের কোষাগারে জমা করে জনগণের হক নিশ্চিত করতঃ রাষ্ট্রকে শক্তিশালি অর্থনৈতিক স্তম্বে পরিণত করা যেতে পারে।

যদিও কাজটা করা কঠিন কিন্তু অসম্ভব নয়, থাকতে হবে সততা ন্যায় নিষ্ঠা আন্তরিকতা এবং সর্বোপোরি নির্ভিক ব্যক্তিদের দ্বারা কুরিয়ার থেকে লুটপাটকৃত অর্থ পূনরুদ্ধার করে একটি পদ্মাসেতু করা সম্ভব।

সূত্র জানায় যে, ৩০জনের সঙ্গবদ্ধ চক্র এসি কুরিয়ার এর সাথে না পেরে শুল্ক দিতে হয়েছে বলে তারা বেরিয়ে যাওয়ার সময় একজন কাস্টমস সরকারকে শারিরীক ও মানসিক ভাবে লাঞ্ছিত করে।

ওই ঘটনা যারা ঘটায় তারা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলে জানা যায়। কিন্তু তাদের সমন্ধে জানা যায়, তারা বিমান বন্দর থানার ছাত্রলীগের সভাপতি ও সেক্রেটারি না। এখানে উল্লেখ্য যাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে তার নামে কোন ধরনের কোন অপরাধ ছিল না।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর